মানিকগঞ্জের সেই ইয়াবা সুন্দরী সাইদা মনিসহ দুই সহযোগী গ্রেপ্তার

 
নিজস্ব প্রতিনিধি:: মানিকগঞ্জে ইয়াবা সুন্দরী সাইদা সুলতানা মনি ওরফে লুৎফাসহ দুই সহযোগীকে শহরের দক্ষিন সেওতা নিজ বাড়ী থেকে আটক করেছে পুলিশ। এসয়য় তল্লাশী চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ৩০০ পিচ ইয়াবা ও চার গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয় । সাইদার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজের অভিযোগ রয়েছে। তার গ্রেপ্তারে স্থানীয় এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছে।

মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মাদক ব্যাবসায়ীদের তথ্য মতে অভিযান চালানো হয় শহরের দক্ষিন সেওতা এলাকার জহুরা ভিলায়। এসময় ৩০০ পিস ইয়াবা ও হিরোইন সহ সাইদা সুলতানা মনি ওরফে লুৎফা , তার পিতা কেএম আবু সাইদ(আরজু) এবং তার মাতা রেহেনা পারভীন সহ তিন জনকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশ কর্তৃৃক মামলার এজাহারে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে নারী কনষ্টেবল এবং এলাকার স্থানীয় সাক্ষীসহ সাইদা সুলতানাদের বাসায় তল্লাশী চালালে তার পিতা কে এম আবু সাইদ এর পরিহিত লুঙ্গিও কোচরার ভেতর থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, সাইদার দেখানো মতে তার শয়ন কক্ষের বিছানার নীচ থেকে এবং তার ড্রেসিং টেবিল এর ড্রয়ার এর থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং চার গ্রাম হেরোইন, তার মাতা রেহেনা পারভীন এর দেখানো মতে তার হেফাজতে থাকা তার শয়ন কক্ষের গোপন জায়গা হতে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

তাদের প্রত্যেকের নামে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা হয়েছে এবং তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার এজাহারে আরো জানা যায়, সাইদা সুলতানা এবং তার পরিবার সুদীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ব্যবসা করে আসছিল। তাদের মাদক এর নীল ছোবলে দক্ষিন সেওতা সহ মানিকগঞ্জ এর যত্রতত্র একাংশ যুবক স¤প্রদায় আজ ধ্বংসের পথে। এদিকে সাইদা সুলতানা ও তার পরিবার সম্পর্কে অত্র ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে তার ও তার পরিবার সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্যাদী পাওয়া গেছে। সাইদা সুলতানা পূর্বে ২টি বিয়ে করে তালাক প্রাপ্ত হবার পর বিভিন্ন জনের সাথে পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করে পুনরায় অপর কারো সাথে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত হবার অভিযোগ পাওয়া যায় এবং অনুসন্ধানে তার সত্যতাও পাওয়া যায়।

সাইদা মনি একের পর এক পুরুষের সাথে মিথ্যা প্রেমের অভিনয় করে অবাধ, অবৈধ যৌনাচারের মাধ্যমে অর্থ প্রতারনার সাথে জড়িত রয়েছে। সাইদা সুলতানা মানিকগঞ্জ ডাচ বাংলা ব্যাংকে একাউন্ট অপেনিং অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিল। বছরখানেক আগে যেখান থেকে শৃংখলা জনিত কারণে তিনি চাকুরীচ্যুত হন। ডাচ বাংলা ব্যাংকে মার্কেটিং চাকুরীর সুবাদে সে মানিকগঞ্জ এর বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের লোক, ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী, নেতা এমন ক্ষমতাশীল লোকদের সাথে অবৈধ অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে তাদের থেকে অবৈধ সুবিধা আদায়ে অভ্যস্ত এবং পরবর্তীতে যে কোন অসুবিধায় তাদেরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলো। তার পিতা মাতার ছত্রছায়ায় এমন অবৈধ কার্যকলাপ পরিচালিত হয়ে এসেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

সাইদা সুলতানার নামে পূর্বে ১৩৮ ধারায় ১টি চেক জালিয়াতী মামলা এবং ৫০৬ ধারায় একটি মামলা বিদ্যামান আছে। এছাড়াও তিনি নিজেও একজন প্রখ্যাত মাদকসেবী। তার পিতা অবৈধ ব্যবসার কারণে ২০১৪ সালে র‌্যাব কর্তৃক গ্রেপ্তার হয়েছিল। তার পিতার নিদিষ্ট কোন পেশা না থাকা সত্তে¡ও, মাত্র ২ বছর আগে যিনি কয়েকটি টিনের ছাপড়া ঘরে বসবাস করতেন এবং একটি লন্ড্রির দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি আজ অবৈধ ব্যবসার রমরমা টাকায় ৪৫০০ স্বয়ারফিটের বিলাসবহুল দ্বিতল ভবন এর মালিক যার নির্মন ব্যায় ২ কোটি টাকার উপরে এবং তার পুবালী ব্যাংক হিসাবে বিপুল অবৈধ টাকা সঞ্চিত আছে। সে বিলাশবহুল জীবন যাপন করে।

সাইদা সুলতানার বোন সানজিদা সুলতানা মুক্তার প্রথম বিয়ে হয় কুখ্যাত মাদক সম্রাট অ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

ফেইসবুক